How to improve in English-ইংরেজিতে ভাল হওয়ার ৯টি উপায়

 

 

Image: How to improve in English-ইংরেজিতে ভাল হওয়ার ৯টি উপায়
How to improve in English-ইংরেজিতে ভাল হওয়ার ৯টি উপায়

How to improve in English-ইংরেজিতে ভাল হওয়ার ৯টি উপায়

আপনি নিশ্চই ইংরেজিতে ভাল হতে চান? কারণ আপনি জানেন, এই যুগে এসে ইংরেজিতে ভাল হলে আপনার অনেক লাভ। আপনি ভাল চাকরী পেতে পারেন, পরীক্ষায় ভাল করতে পারেন, বন্ধুদের মাঝে স্মার্ট খেতাব পারেন। আরও কত কি! হ্যা ঠিক তাই। 

সব ছাড়াও ইংরেজি জানার আরও অনেক ভাল দিক আছে। আজ কিছু সহজ নিয়মের কথা বলব। ইংরেজিতে ভাল হতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন, যে নিয়মগুলো মানতে আপনার খুব বেশি কষ্ট হবেনা। তাহলে চলুন দেখি কি সেই নিয়মগুলো, যা কিনা মাত্র এক মাসে আপনাকে ইংরেজিতে একজন দক্ষ ব্যক্তি হিসেবে সত্যিই গড়ে তুলতে পারে। 

সময়ের সাথে সাথে ইংরেজি শেখার ধরণ বদলেছে। আমরা কেউ যদি এখন গ্রামেও বাস করি, একটি স্মার্ট-ফোন থাকলে পৃথিবীটা আমার হাতের মুঠোয়। আজ এমন কিছু ডিজিটাল কায়দা দেখাতে যাচ্ছি। ধৈর্য ধরে পড়ে ফেলুন, ইংরেজি সমস্যা চিরতরে ডিলেট হয়ে যাবে। 

শুরু করার আগে বলি। ইংরেজিতে ভাল হতে হলে নিচের এই ৪টি দক্ষতা (Skills) অর্জন করতে হবে।

. কথা বলা (Speaking)

. শুনে বোঝা (Listening)

. পড়ে বোঝা (Reading)

. লেখা (Writing)

এবার দেখি এই টি দক্ষতা অর্জনের ডিজিটাল কায়দাগুলো কি কি হতে পারে। 

. মোবাইল হতে পারে শিক্ষকঃ 

হ্যা!! আপনার স্মার্ট ফোনটিই হতে পারে আপনার বেস্ট টিচার। এটির সঠিক ব্যবহার করতে পারলে সত্যিই আপনার কোন টিচারের কাছে যাওয়ার দরকার নাই। আমি সেটা আজ দেখিয়ে দিব কি করে আপনার এই ফোনটিকেই কোচিং সেন্টার বানিয়ে ফেলতে পারেন। কথা কেউ বলেনি। আমি বলছি। এবং সেটা আমি প্রমান করে দিব। 

. কিভাবে আপনার স্মার্ট ফোনকে কোচিং সেন্টার বানাবেনঃ 

আপনার স্মার্ট ফোনটি দিয়ে আপনি বেশিরভাগ সময় কি করেন। ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব দেখেন। রাইট? কি দেখেন? (সেটা গোপনই থাক) শুধু নিজের জ্ঞান বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ঘন্টা সেগুলো ইউজ করুন। দেখবেন কিছু ডেটা বাড়তি খরচ হলেও কোচিং সেন্টার বা টিচারের খরচ বেচে যাবে। ওকে! এবার বলছি কিভাবে। 

. ফেসবুকে চ্যাট করুন ইংরেজিতেঃ 

বন্ধুদের সাথে যথা সম্ভব ইংরেজি লিখে চ্যাট করুন। দরকার হলে কিছু ইংরেজি ভাষার বন্ধু বানান। জানি, আপনি সেটা পারবেন। তাদের সাথে লিখে চ্যাট করুন বা ভিডিও কলে কথা বলুন। প্রথম দিকে ভয় লাগবে। দু একদিন বলার পর ঠিক হয়ে যাবে। বলবেন আমিতো ইংরেজি বলতেই পারিনা কিভাবে বলব? জন্য পুরো পোস্টটি পড়লে আপনার সে সমস্যা ১০০% দূর হবেই। 

. ফেসবুকে সার্স দিয়ে ইংরেজি শিখুনঃ 

আপনি ইংরেজির যে বিষয়টি পারেননা সে বিষয়ে ফেসবুকে সার্স দিন। দেখবেন অনেকেই সেটার উপর পোস্ট দিয়ে বসে আছে। লেখাগুলো চমৎকার লাগবে। এখান থেকে আপনি ইংরেজিতে কথা বলা, গ্রামার শেখাসহ নানা ধরনের গাইড পাবেন। 

তাছাড়া, ফেসবুকে স্টেটাসগুলো ইংরেজিতে দিন: ফেসবুকে স্টেটাস আপনি বাংলায় না দিয়ে ইংরেজিতে দেয়ার অভ্যাস করুন। কিভাবে দিবেন সেটা বলছি। প্রথমে বাংলায় লিখুন। তারপর সেটাকে কপি করে গুগল ট্রান্সেলেশনে গিয়ে পেস্ট করে ইংরেজি করে নিন। দেখবেন আপনার মজার মজার কথাগুলো কিভাবে ইংরেজি হয়ে যাচ্ছে আর আপনিও সেগুলোর ইংরেজি শিখে যাচ্ছেন। মজা না? আরও মজার ব্যাপার হলো এই ইংরেজি স্টেটাসগুলো আপনার সামাজিক স্টেটাসও বাড়িয়ে দিবে। 

. ফেসবুক পেজ ফলো করুনঃ 

ফেসবুকে যেসব ইংরেজি শেখানোর পেজ আছে সেগুলোতে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন। সার্স করলে বহু পেজ পাবেন। তাদের পোস্ট নিয়মিত পড়ুন। অনেক সমস্যা দূর হবে। অনেক নতুন নতুন ইংরেজি শিখতে পারবেন। 

.ফেসবুক Group- জয়েন করুনঃ 

আপনি প্রতিদিন যা শিখছেন সেগুলোকে প্রয়োগ করতে পারেন ফেসবুক Group-এ। কোন বিষয়ের উপর ছোট ছোট ইংরেজি বাক্য লিখে পোস্ট দিন। দিতে থাকুন। কোন ইংরেজি না বুঝলে Group- লিখে পোস্ট দিন। অনেকেই অসাধারণ সমাধান দিবে। ইংরেজি কথা বলার অনেক Group আছে। সেগুলোতে জয়েন করুন। ছোট ছোট টপিকের উপর কথা বলে মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড করুন এবং পোস্ট দিন। দেখবেন আপনার জড়তা কাটতে শুরু করেছে। লজ্জা পাবেনা। লজ্জা, হেজিটেশন আপনাকে পেছনে ফেলে রাখবে। 

মনে রাখবেন, মানুষ ভুল করতে করতে শেখে। মায়ের পেট থেকে কেউ সবকিছু শিখে আসেনা। 

.ইউটিউব হতে পারে আপনার শিখন বন্ধুঃ

ইউটিউব হলো একটি চলমান বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা অনেকেই জানিনা এখান থেকে সব কিছুই শেখা সম্ভব। শুধু শেখার ইচ্ছা থাকতে হবে। ইংরেজি লেখা, বলা, শোনা, পড়া-সব কিছুর এক্সিলেন্ট সব গাইড পাবেন এখানে। অনেক ইউটিউবার ইংরেজি শেখার উপর প্যাকেজ ভিডিও বানিয়েও শেখাচ্ছেন। সেখান থেকে আপনার পছন্দমত একটি চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে শিখতে থাকুন। এলোমেলো দৌড়াদৌড়ি না করে ভাল দু-একটি চ্যানেল ফলো করুন। প্রতিদিন শিখুন এখান থেকে, আর সেগুলো প্রয়োগ করুন। 

. গুগল মামা শেষ ভরসাঃ 

মানুষ বলে মামা বাড়ির আবদার। তার মানে মামার কাছে যে কোন আবদার করা যায়। গুগলকে কেন মামা ডাকা হয় তা বলছি এবার।  আপনি একটি ইংরেজির বাংলা করতে পারছেননা। অনেককে জিজ্ঞেস করেছেন। উত্তর পাননি। তাহলে চলে যান গুগল মামার কাছে। আপনার সমস্যা লিখে সার্স দিন। লক্ষ লক্ষ সমাধান হাজির করে দেবেন গুগল মামা। মামাতো আপনাকে হতাশ করতে পারেননা। কথা হলো সমাধান পেয়ে যাবেন। সার্স করতে শিখুন। 

 

টি দক্ষতা অর্জনের জন্য কিভাবে প্রাকটিস করবেন 

                                                                . কথা বলা (Speaking)

একটা গোপন কথা বলি। তা হলো আপনি ইংরেজিতে কথা বলাটা আয়ত্ব করতে পারলে বাকী টি স্কিল শেখা আপনার জন্য খুবই সহজ হয়ে যাবে। আর আপনার ইংরেজির দক্ষতা প্রকাশের এক নম্বর উপায় হচ্ছে এই Speaking এবার দেখি কিভাবে এই দক্ষতা অর্জন করা যায়  

. কথা বলা শুরু করুনঃ 

আপনি ইতিমধ্যে উপরের মাধ্যমগুলো ব্যবহারের পদ্ধতি শিখে গেছেন। এবার একজন বন্ধুর সাথে নিয়মিত কথা বলা শুরু করে দিন। ভুল হোক শুদ্ধ হোক সেটা কোন সমস্যা না। শিখতে থাকুন কিন্তু কথা বলা প্রাকটিস চালিয়ে যেতে হবে। আপনি কথা বলা প্রাকটিস করা শুরু করলেই বুঝবেন কোন বাক্যটি বানাতে পারছেননা বা কোন শব্দটি আপনার অজানা। সেগুলো উপরের মাধ্যম ব্যবহার করে শিখে নিন।

. কথা বলার পার্টনার নির্বাচনঃ 

এটা একটি দারুন টেকনিক। এই কথাটি কেউ বলেনা। আমি বলছি। প্রথমে এমন একজনের সাথে কথা বলা শুরু করুন যে আপনার চেয়ে ইংরেজি কম জানে। এটা করবেন সাহস বাড়ানোর জন্য। সে আপনার ভুল ধরবেনা। এতে আপনার জড়তা অনেকটা কেটে যাবে। তারপর আস্তে আস্তে এমন একজনের সাথে কথা বলবেন যে আপনার চেয়ে বেশী ইংরেজি জানে। দেখবেন সে আপনার ছোট খাটো ভুলগুলো ঠিক করে দেবে।

. নিজের সাথে কথা বলুনঃ 

পার্টনার হয়তো কাছে নেই। প্রাকটিস কি বন্ধ থাকবে? নো! আয়নার সামনে দাড়িয়ে কথা বলুন। যে কোন একটি টপিকের উপর নিজেই প্রশ্ন করুন নিজেই উত্তর দিন। এর চেয়ে মজার প্রাকটিস আর নেই, বিশ্বাস করেন। এভাবে শুরু করতে পারেন। হয়তো বন্ধুকে বলছেন-

-কিরে দোস্ত! তোর খবর কি? (Hey friend! What's up?)

-আমি একটা কাজে ব্যস্ত ছিলাম। (I was busy with a task)

-তুই ব্যাটা ইজি কামে বিজি। (You guy is busy with easy work)

-না। ঠিক তা নয়! আমি এই দুইদিন ধরে হাসপাতালে ছিলাম। (No. Not really! I was in the hospital for these two days)

-তুই কি অসুস্থ? (Are you sick?)

-নারে! আমার বাবা হসপিটালে ছিলেন। (No! My father was in the hospital.)

-ওহ সরি দোস্ত! উনি কি এখন সুস্থ? (Oh sorry friend! Is he ok now?)

-হ্যা। এখন ভালো আছে। (Yes. Now he's fine.)

আপনার জড়তা কাটাতে এবং নতুন নতুন শব্দ শিখতে এই পদ্ধতিটি সত্যিই অসাধারণ কাজ করে। 

. সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করুনঃ 

ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার-ইত্যাদি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে বিদেশীদের সাথে বন্ধুত্ব করুন। প্রথম দিকে তাদেরকে দু-এক লাইনের ভয়েজ মেসেজ দিন। তার কোন পোস্ট বা ছবিতে এই ভয়েজ মেসেজ করলে সেও আপনাকে একইভাবে রিপ্লাই করবে। তারপর আপনি তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করুন। মাঝে মাঝে কথা বলুন। এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি।

 . এই পদ্ধতিটি চমৎকারঃ 

এটি হলো বাংলায় কথা বলার সময় যথা সম্ভব ইংরেজি বাক্য বা শব্দ ব্যবহার করা। এতে আপনার প্রাকটিসটা আলটিমেটলি চলতে থাকবে। তবে ক্ষেত্রে অনেকে মনে করতে পারে আপনি ইংরেজি বলে ভাব দেখাচ্ছেন। কে কি ভাবল সেটা আপাতত চিন্তা করার দরকার নাই। প্রাকটিস চালিয়ে যান।

 

                                            শুনে বোঝা (Listening) 

. ইংরেজি কার্টুন দেখে শুরু করুনঃ 

ইংরেজিতে কথা বলা শিখতে বা শুনে বুঝতে হলে ইংরেজি কার্টুন দেখা শুরু করুন। কার্টুনের ইংরেজি বলা একটু স্লো হয়ে থাকে। কারণ কার্টুন বাচ্চাদের জন্য বানানো হয়ে থাকে। বাচ্চারা দ্রুত কথা বোঝেনা, তাই এই কার্টুন দেখা আপনার কথা বলা শেখার ক্ষেত্রে দারুন উপকার করতে পারে। একটি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে আপনি নিজেকে শিশুই ভাবুন। শেখাটাই মূল কথা। 

. ইংরেজি মুভি দেখুন:

ইংরেজি মুভি দেখলে কথা বলা বা শুনে বোঝা বা শুদ্ধ উচ্চারণ শেখার ক্ষেত্রে অসাধারণ অগ্রগতি হবে। মুভির সংলাপগুলো সাধারনত দৈনন্দিন জীবন সংক্রান্ত হওয়ার কারণে আপনার বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিদিনকার কথাবার্তা বলার উন্নতি হবে। তাছাড়া কথা শুনে বোঝার ক্ষমতা (listening skill) বৃদ্ধি পাবে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রথম দিকে সাবটাইটেল(Subtitle) সহ ইংরেজি মুভি দেখবেন। কারণ কোন কথা না বুঝলে লেখা দেখে বুঝে নিতে পারবেন। এভাবে কিছুদিন পর আপনার আর সাবটাইটেল(Subtitle) সহ মুভি দেখা লাগবেনা। 

. মজার সিরিয়াল দেখুন:

ইংরেজি ভাষায় টিভিতে অনেক মজার মজার সিরিয়াল আছে। এগুলো দেখলে আপনার লিসেনিং স্কিল বাড়বে কিন্তু বোরিং লাগবেনা। সিরিয়ালের সংলাপগুলো ওদের বলার পর আপনিও রিপিট করুন। দেখবেন আপনার উচ্চারণ সুন্দর হবে। 

. নিউজ দেখুনঃ 

ইংরেজি ভাষার নিউজ অনেক গোছানো এবং স্লো হয়ে থাকে। নিয়মিত নিউজ দেখার অভ্যাস করলেও আপনার লিসেনিং স্কিল ভাল হবে।

 

                                                    পড়ে বোঝা (Reading) 

.ইংরেজি শব্দ আয়ত্ব করুনঃ 

নিশ্চই ভাবছেন, এবার অপনাকে বলব  ইংরেজি শব্দার্থর বই নিয়ে গাদা গাদা শব্দার্থ মুখস্থ করা শুরু করে দেন। না, ব্যাপারটি আসলে তা নয়। আপনার হাতের স্মার্টফোনে প্লে-স্টোর থেকে একটি ডিকশনারী ডাউনলোড করুন অথবা গুগল ট্রান্সেলেট ব্যবহার করে যেকোন শব্দের অর্থ জেনে নেয়া এখন কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার। আরেকটি কথা। যে শব্দটি জানবেন, সেটি দিয়ে কোন বাক্য বানাবেন, তাহলে শব্দটি মনে থাকবে সহজে।

. ইংরেজি গল্পের বই পড়া শুরু করুনঃ

প্রথম দিকে সহজ ইংরেজিতে লেখা বইগুলো দিয়ে শুরু করুন। আস্তে আস্তে কঠিন বইগুলো পড়ার অভ্যাস করুন। 

.  নিউজ পেপার পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুনঃ

ইংরেজি স্কিল বাড়াতে নিয়মিত নিউজ পেপার পড়া একটি অসাধারণ কৌশল। চলমান খবরগুলো থেকে আপনি অনেক আনকমন বাংলা শব্দের ইংরেজি জানতে পারবেন। পড়তে গিয়ে যে সব শব্দগুলোর অর্থ জানেন না সেগুলো আন্ডারলাইন করে রাখুন এবং পরে অর্থ জেনে নিন। যে নিউজগুলোতে আপনার আগ্রহ বেশী সেগুলো পড়তে চেষ্টা করুন।

. সোসাল মিডিয়াতেঃ

ইংরেজি ভাষার গ্রুপগুলোতে জয়েন করুন এবং পোষ্টগুলো পড়ার চেষ্টা করুন। পোষ্টের নিচে কমেন্টগুলো পড়তেও ভুলবেন না।

 

                                                        লেখা (Writing):

. ফেসবুকের পোস্টগুলোঃ

আগেই বলেছি, এটি একটি চমৎকার প্রাকটিস। তাই, অজ থেকেই আপনার স্টেইটাসগুলো ইংরেজিতে লিখবেন। প্রথমে বাংলায় লিখে গুগল থেকে ইংরেজি করে নিতে ভুলবেন না। পরে আস্তে আস্তে নিজেই লিখতে পারবেন।

.ফেসবুক কমেন্টঃ 

অন্যদের পোস্টগুলোর নিচে  ইংরেজিতে কমেন্ট করবেন। যে কোন কমেন্ট প্রকাশ করার আগে গুগল থেকে কারেকশন করে নিন এবং তারপর প্রকাশ করুন। 

. নিয়মিত লিখুনঃ

আপনার প্রিয় বিষয়গুলোর উপর প্রতিদিন কিছুনা কিছু ইংরেজিতে লিখুন। ইংরেজি বাক্য সঠিক হলো কিনা সেজন্য অনলাইনে অনেক অ্যাপস্ আছে সেগুলো ব্যবহার করে বাক্য ঠিক করে নিন।

. ডাইরি লিখুনঃ 

আপনার প্রতিদিনের ঘটনাবলীর ডাইরি ইংরেজিতে লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ভুল বের করে আবার সঠিক করে লিখুন এবং পরের দিন আর সেই ভুল করবেন না। 

মজার ব্যাপার হলো আপনার আজকের লেখা ২ মাস পরে দেখলে নিজেই হাসবেন। কারণ তখন আপনি আরও দক্ষ হয়ে উঠবেন এবং আজকের ভুল লেখাগুলো দেখেই এই হাসি পাবে। কিন্ত আজকের ভুলগুলোই আপনাকে আগামী দিনগুলোতে ইংরেজিতে দক্ষ হতে সাহায্য করছে, এটি মনে রাখবেন। 

 

উপরের নিয়ম অনুযায়ী প্রাকটিস করলে খুব দ্রুত সময়ে আপনার ইংরেজির দক্ষতা অনেক বেড়ে যাবে। তাছাড়া মনে রাখবেন, ইংরেজি একটা ভাষা আর একটি ভাষা শিখতে হলে সেটির নিয়মিত প্রাকটিস দরকার। ধন্যবাদ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন